“বিশ্বচোর বিশ্ব, বিশ্ববেহায়ার হাতে দেশ”
(Don’t worry কথাগুলো আমার নয়- খালাদা জিয়ার প্রেমে এখনো পড়িনি)।
গতকাল bdnews24.com -এ দেখলাম, হবিগঞ্জে ১৮ দলীয় জোটের জনসভায় বিরোধী দলীয় নেত্রী সরকারী দলকে উদ্দেশ্য করে এসব কথা বলেছেন।
prothom-alo.com -এ দেখলাম, শেখ হাসিনা বিপক্ষ দলকে উদ্দেশ্য করে বানী দিয়েছেন,
“ক্ষমতার জন্য ক্ষুধার্থ, কিন্তু কোন জনসমর্থন নেই।”(Don’t worry কথাগুলো আমার নয়- খালাদা জিয়ার প্রেমে এখনো পড়িনি)।
গতকাল bdnews24.com -এ দেখলাম, হবিগঞ্জে ১৮ দলীয় জোটের জনসভায় বিরোধী দলীয় নেত্রী সরকারী দলকে উদ্দেশ্য করে এসব কথা বলেছেন।
prothom-alo.com -এ দেখলাম, শেখ হাসিনা বিপক্ষ দলকে উদ্দেশ্য করে বানী দিয়েছেন,
প্রথম জনের কথায় আসি।
এই যে তিনি ক্ষমতাসীনদের “বিশ্বচোর” বিশেষণে ‘বিশেষণায়ীত’ করলেন... একটি বারও নিজেদের দিকে, নিজের ‘মহাসুপুত্রদের’ দিকে তাকানোর কথা ভাবলেন না...!!!
আসলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। তাঁদের ব্যপারগুলোতে আবাক হওয়াটাকেই ‘অবাক করা বিষয় মনে’ হচ্ছে।
কারণ আমাদের দুই নেত্রীই বাঙ্গালী। বাঙ্গালী মাত্রেই হন্যে হয়ে অন্যের শরীরের কাঁদা খুঁজবে –নিজের শরীরের কাঁদা দেখিয়ে দিলে রেগে খুন হবে।
আমাদের দুই নেত্রী-ই বা কেন ব্যতিক্রম হতে যাবেন। ইনাদেরও ওই একই কাজ অন্যের শরীরের কাঁদা খোঁজা। কাঁদা না থাকলে যোগার করে ছোড়াছুড়ি করা।
কাঁদা ছোড়াছুড়ি করতে করতে বলা বলি করা, “তোর শরীরে কাঁদা -তোর শরীরে কাঁদা - তোর শরীরে কাঁদা”। এই কাঁদা ছোড়াছুড়ি- বলাবলি চলতেই থাকে… কাঁদার মধ্যে ডুবে হাত-পা, নাক-মুখ বন্ধ না হওয়া অব্দি।
বিরোধী দলীয় নেত্রী বলেছেন ‘বিশ্ববেহায়ার হাতে দেশ’। ‘বিশ্ববেহায়া’ না ‘বিশ্বআত্মসন্মানী’ (বিশ্ববেহায়ার যথার্থ বিপরীত মাথায় আসছে না) -দেশ কার হাতে তা জানি না। তবে নিজেদেরকে –যারা তাঁদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করি- ‘সৌরবেহায়া’ ছাড়া আর কিছুই মনে হয় না।
দু’দলই নির্বাচনের আগে আমাদের দুধ খাওয়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরে ঘোল খাওয়ায়।
ঘোল খেতে খেতে বিরক্ত হয়ে রেগেমেগে আমরা বলি, “দুধের কথা বলে ঘোল খাওয়াচ্ছিস! দাঁড়া নির্বাচনটা আসতে দে তোকে দেখে নেবো।”
এরপর দুধের আশায় আমরা অন্যজনকে নির্বাচিত করি- ভুলে যাই পাঁচ বছর আগে
সে-ও ঘোল-ই খাইয়েছিল।
নির্বাচন আসুক। নিজের ভোটাধিকার আমি নিজে খর্ব করবো যদি শুনি ব্যালট পেপারে “নাভোট” নেই।
আমার এ কথা শুনে অনেকে হয়তো অট্টহাসি দিয়ে বলবে, “তোর মত একটা ‘সস্তা’ ভোট দিক আর না দিক; এতে কারো কিছু এসে যায় না।”
কথাটা শোনা মাত্র একবাক্যে মেনে নেবো। এই ‘সস্তা’ ভোট দিক আর না দিক তাতে কারো কিছু এসে যায় না কিন্তু সস্তার বিবেকের অনেক কিছু এসে যায়।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন